
স্টাফ রিপোর্টার ঃ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে গাভীর খামারে ভুল চিকিৎসার অভিযোগের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দিনভর ২ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্ত সম্পন্ন করেছেন। তারা অভিযোগকারী ভুক্তভোগী, খামারীসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেছেন।
জানাগেছে, বালিয়াকান্দি গ্রামের আব্দুল কাদের মোল্যার ছেলে মোঃ মাসুদ মোল্যা তার খামারের গরু জড়লে চিকিৎসা দেয় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারী কম্পাউন্ডার আবু হেনা। গত ১৫ এপ্রিল আবু হেনা যেতে না পারায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত ইউএলএ নজরুল ইসলাম খান ও এআই সেচ্ছাসেবী মিঠুন কীত্তনীয়া খামারে গিয়ে চিকিৎসা প্রদান করে। ওইদিনই ক্ষুরারোগে তার খামারের একটি বাছুর অসুস্থ হয়ে মারা যায়। এরপর ভুল চিকিৎসার অভিযোগ এনে রাজবাড়ী জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তার খামারে থাকা গরু গুলো পানির দরে বিক্রি করে দেন। এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা ভেটেরিনারী সার্জন ডা. মোঃ মিজানুর রহমানকে আহবায়ক ও বালিয়াকান্দি উপজেলা ভেটেরিনারী সার্জন ডা. শাহিনুর রহমানকে সদস্য সচিব করে দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে। এ কমিটি ৪ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে। দ্বিতীয় কর্মদিবস মঙ্গলবার সরেজমিন তদন্ত করেছেন।
তদন্তকালে উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারী কম্পাউন্ডার মোঃ আবু হেনাকে ষড়যন্ত্রমুলক ফাঁসানোর হচ্ছে বলে দাবী করেন দুগ্ধ খামার মালিক সমিতির সদস্যরা। তারা তদন্ত কমিটির নিকট লিখিত বক্তব্যে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমুলক। তারা বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে কোন চিকিৎসক না থাকায় আবু হেনা তাদের খামারে চিকিৎসা প্রদান করে আসছেন। তাকে যদি বদলী করা হয় তাহলে অনেক খামার বন্ধ হয়ে যাবে বলেও দাবী করেন।
তদন্ত কমিটির আহবায়ক গোয়ালন্দ উপজেলা ভেটেরিনারী সার্জন ডা. মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সরেজমিন তদন্ত করে ভুক্তভোগীদের লিখিত বক্তব্যে গ্রহন করা হয়েছে। আশা করছি যথাসময়েই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
